হরেকরকম.কম

হরেকরকম.কম জ্ঞানকে প্রসারিত করার জন্য Like, Comment করে ?

রসায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু  তথ্য1) মুদ্রাধাতু :➟ অকাজ (Au, Cu, Ag)2) অপধাতু :➟ আটসি গেটে আসবি সব (At, Si, Ge , Te, ...
22/08/2025

রসায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

1) মুদ্রাধাতু :➟ অকাজ (Au, Cu, Ag)
2) অপধাতু :➟ আটসি গেটে আসবি সব (At, Si, Ge , Te, As, B , Sb )
3) চুম্বক ধাতু :➟ ফেল করি নাই, রুহুল রহিম ফালালে
পেটাবো (Fe, Co, Ni, Ru, Rh, Pd, Pt)
4) অভিজাত ধাতু : আজ সোনা পাবে (Ag, Au, Pt)
5) নিকৃষ্ট ধাতু :➟ লতা (লোহা Fe, তামা Cu)
6) নরম ধাতু :➟ পাবে না কে কে (Pb, Na, K, Ca)
7) উদায়ী ধাতু :➟ জন কেডি মার্কারিকে চিনে (Zn,
Cd, Hg, Cn)
8 ) সবচেয়ে হালকা ধাতু ➟ লিথিয়াম
9) সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু ➟ পটাসিয়াম
10) সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু ➟ প্লাটিনাম
11) সবচেয়ে শক্ত পদার্থ ➟ হীরক
12) সবচেয়ে ভারী তরল পদার্থ ➟ পারদ ও সিজিয়াম
13) স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল ধাতু ➟ পারদ
14) গলনাংক সবচেয়ে কম যে ধাতুর ➟ পারদ
15) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু ➟ লোহা
16) প্রকৃতিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় যে ধাতু ➟
অ্যালুনিয়াম
17) যে ধাতুর উপর আঘাত করলে শব্দ হয় না
➟অ্যান্টিমনি
18) সবচেয়ে দ্রুত ক্ষয় প্রাপ্ত হয় যে ধাতু ➟দস্তা
( জিংক)
19) যে ধাতু পানিতে ভাসে ➟ সোডিয়াম ও পটাসিয়াম
20) যে সব মৌল তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আঘাত
করলে টুনটুন শব্দ হয়, তাদরেকে ধতু বলে।
যেমন-সোন, রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি।
21) যে সব মৌল তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবহী এবং যৌগে
তড়িৎ ঋণাত্বক আয়ন হিসেবে থাকে, তাদের অধাতু
বলে । যেমন কার্বন, অক্সিজেন আয়োডিন,
হাইড্রোজেন ইত্যাদি।
22) কেওলিন হলো এক প্রকার সাদামাটি। কেওলিন
সিরামিক সামগ্রী তৈরীর কাঁচামাল হিসেবে ব্যবাহৃত
হয়।
23) সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলায় সিরামিক খানি আবস্কিৃত
হয়।]
24) সোডিয়ামের যৌগ সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNo3)
কে চিলির সল্টপিটার বলে।
25) সোডিয়ামের কার্বনেট (Na2Co3) কে বেকিং
পাউডার বলে।

✅✅দুষ্ট মৌল কোনটি???? 📌📌📌

Copy

20/08/2025

#সরকারি কর্মচারীর বদলিজনিত যোগদানকাল কত দিন?

সরকারি কর্মচারীর বদলিজনিত যোগদানকাল বা "ট্রানজিট পিরিয়ড" বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (BSR) অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এই সময়সীমা মূলত নতুন কর্মস্থলের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে।

সাধারণত, বদলিজনিত যোগদানকালকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

১. প্রস্তুতির সময়: এটি একটি নির্দিষ্ট সময় যা কর্মচারী বদলির জন্য প্রস্তুতি নিতে ব্যবহার করেন। এটি সাধারণত ৬ দিন হয়ে থাকে। এই ৬ দিনের মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি অন্তর্ভুক্ত হয় না। অর্থাৎ, যদি ছুটির দিনগুলো এই সময়ের মধ্যে পড়ে, তাহলে ছুটির দিনগুলো বাদ দিয়ে মোট ৬ দিন গণনা করা হবে।

২. ভ্রমণের সময়: এটি নতুন কর্মস্থলে ভ্রমণের জন্য বরাদ্দকৃত সময়। এর পরিমাণ দূরত্বের ওপর নির্ভর করে:

৮ কিলোমিটারের কম দূরত্বে: কোন অতিরিক্ত ভ্রমণের সময় পাওয়া যায় না।

৮ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে: ভ্রমণের জন্য যে প্রকৃত সময় লাগে, তার উপর ভিত্তি করে এই সময় নির্ধারিত হয়। এই সময় গণনার জন্য বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে, যেমন:

রেল, স্টিমার, বা বিমান ভ্রমণের জন্য সময় গণনা।

সড়কপথে মোটরগাড়ী বা অন্য যানবাহনে ভ্রমণের জন্য সময় গণনা।

মোট যোগদানকাল এই দুটি সময়ের যোগফল। অর্থাৎ, প্রস্তুতির সময় (৬ দিন) + ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় সময়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

সাধারণত, মোট যোগদানকাল ৩০ দিনের বেশি হতে পারে না। তবে, বিশেষ পরিস্থিতিতে এবং জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ এই সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারেন।

যদি একজন কর্মচারী নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য ছুটি নেন, তবে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের পর থেকে ছুটির সময় শুরু হবে এবং যোগদানকাল বাতিল হয়ে যাবে।

যদি নতুন পদটি একই কর্মস্থলে হয় এবং কর্মচারীর বাসস্থান স্থানান্তরের প্রয়োজন না হয়, তবে যোগদানকাল মাত্র ১ দিন হবে। এই ক্ষেত্রে ছুটির দিনও গণনা করা হয়।

এই নিয়মগুলো বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (BSR) পার্ট-১ এর বিধি ৮০ থেকে ৮৫-তে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা আছে।

🔷কোন সারের কি কাজ? জানেন কি? আমরা অনেকেই কৃষিকাজে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সার ব্যবহার করি। কিন্তু কয়জন জানি, কোন সারের কী ক...
26/07/2025

🔷কোন সারের কি কাজ? জানেন কি?

আমরা অনেকেই কৃষিকাজে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সার ব্যবহার করি। কিন্তু কয়জন জানি, কোন সারের কী কাজ করে? সঠিক জ্ঞান ছাড়া শুধু সার প্রয়োগ করলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া যায় না। তাই একজন সচেতন কৃষক হিসেবে সার সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি।
নিচে সংক্ষেপে কিছু প্রচলিত রাসায়নিক ও পরিপূরক সারের কার্যকারিতা তুলে ধরা হলো—

🔸 #ইউরিয়া (Urea):
🌿 গাছের পাতা, কান্ড ও ডালের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
🌿 গাছকে সবুজ ও সতেজ রাখে।
🌿 নাইট্রোজেন সরবরাহ করে যা উদ্ভিদের ক্লোরোফিল ও প্রোটিন তৈরিতে সহায়তা করে।

🔸 #টিএসপি (TSP):
🌿 ফসফরাস সরবরাহ করে যা মূল বৃদ্ধিতে সহায়ক।
🌿 গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল ধারণে সাহায্য করে।
🌿 ফল দ্রুত পরিপক্ক করতে সহায়তা করে।

🔸 #ডিএপি (DAP):
🌿 টিএসপির মতোই ফসফরাস সরবরাহ করে।
🌿 অতিরিক্তভাবে নাইট্রোজেনও সরবরাহ করে, ফলে গাছের সামগ্রিক বৃদ্ধি ভালো হয়।

🔸 #এমওপি/পটাশ (MOP):
🌿 গাছকে রোগ প্রতিরোধে শক্তিশালী করে।
🌿 খরা সহ্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
🌿 ফলন ও ফলের গুণগত মান উন্নত করে।

🔸 #জিপসাম (Gypsum):
🌿 সালফার সরবরাহ করে যা নাইট্রোজেন আত্মকরণে সহায়তা করে।
🌿 প্রোটিন ও তেল তৈরিতে সাহায্য করে।
🌿 মাটির গঠন উন্নত করে ও ক্যালসিয়াম দেয়।

🔸 #জিংক সালফেট (Zinc Sulfate):
🌿 গাছের হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।
🌿 পাতার ক্ষয় প্রতিরোধ করে।
🌿 ফসলের গঠন ও বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।

🔸 #বোরন/বোরাক্স (Borax):
🌿 ফল ও ফুলের বিকৃতি রোধ করে।
🌿 গাছে সঠিকভাবে ফুল ও ফল ধরে রাখতে সাহায্য করে।
🌿 গাছের কোষ প্রাচীর শক্ত করে এবং পরাগায়ণে সহায়তা করে।

✅ মনে রাখবেন, সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করলে আপনার ফসল যেমন ভালো হবে, তেমনি জমিও থাকবে উর্বর ও সুস্থ।

📢 আপনার জমিতে সার প্রয়োগের আগে মাটির পরীক্ষা করিয়ে নিন। এতে আপনি জানতে পারবেন কোন পুষ্টির ঘাটতি আছে এবং কতটুকু সার প্রয়োজন।

📌 এই তথ্যগুলো ছড়িয়ে দিন অন্য কৃষক ভাইদের মধ্যে ৷



শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহর...
24/06/2025

শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️

❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)

চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহরণ

১. ChuChu TV ❌
অতিরিক্ত রঙ, শব্দ ও দ্রুতগতির ফুটেজ 👉
শিশুদের অস্থির করে তোলে, মনোযোগের সমস্যা তৈরি করে শিশু ঘুমানোর সময় বারবার এই কার্টুন দেখতে চায়, মনোযোগ কমে।

২. Cocomelon❌
অত্যধিক repetitive ও overstimulating; 👉
শব্দ ও সংগীতের মাধ্যমে “screen addiction” হয়ে যয়, বাচ্চা রেগে যায় যদি Cocomelon বন্ধ করা হয়।

৩. Diana and Roma ❌
বাস্তব জীবনের বিলাসীতা, খেলনা, ঘোরাফেরা দেখিয়ে শিশুদের ভোগবাদী মানসিকতা শেখায়👉
শিশু খেলনার জন্য জেদ করে কারণ "Diana" সেটাই করছে

৪. Vlad and Niki❌
নাটকীয়, চিৎকার ও অস্বাভাবিক আচরণ শেখায় 👉
যা শিশুরা অনুকরণ করে শিশু ঘর ভাঙচুর করে বলে “Vlad does it!”

৫. Little Baby Bum ❌
গান ও কার্টুনের মধ্যে বাস্তবতা ও কল্পনার বিভাজন দুর্বল করে, শিশুর চিন্তাশক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে👉
শিশু সবসময় গানেই চিন্তা করে, বাস্তব কথা শুনতে চায় না

৬. Morphle❌
হিংসাত্মক ও অপ্রাসঙ্গিক রূপান্তর ও আচরণ শিশুদের মধ্যে হিংসা ও অলীক চিন্তা তৈরি করে👉
Morphle হয়ে মানুষকে ‘হারিয়ে দেওয়া’ মজার মনে করে

৭. Elsa and Spiderman Parody Videos ❌
সেক্সুয়াল সাবটেক্সট, হিংসাত্মক কনটেন্ট – এগুলো শিশুর চোখে ঝাঁকুনির মতো👉
Elsa-Spiderman ভিডিওতে অশালীন পোশাক ও সংলাপ থাকে

✅ ৭টি শিক্ষনীয় ও মেধা বিকাশমূলক ইউটিউব চ্যানেল (নিরাপদ ও উপকারী)

চ্যানেল নাম -ভালো দিক -উদাহরণ

১. Peep and the Big Wide World- বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও অনুসন্ধান শেখায় 👉
শিশু পিপের মতো প্রশ্ন করে: “পানি কেন শুকায়?”

২. Blippi -রঙিন হলেও বাস্তব অভিজ্ঞতা শেখায় (যেমন: মিউজিয়াম, গাড়ি, কাজ) 👉
“Construction Vehicle” দেখিয়ে শেখায় কাজের প্রতি আগ্রহ

৩. Sesame Street -নৈতিক শিক্ষা, গঠনমূলক ভাষা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখায় 👉
“Elmo says: Sharing is caring” শিশু মনে রাখে

৪. Ms. Rachel (Songs for Littles) -
স্পিচ থেরাপি ও ভাষা শেখাতে সহায়ক, খোলামেলা ও আসল মানব মুখ ব্যবহার করে 👉
দেরিতে কথা বলা শিশুরা Ms. Rachel দেখে শব্দ শেখে

৫. Super Simple Songs -
স্লো, ক্লিয়ার এবং নির্দিষ্ট বয়স উপযোগী গান – শিশুর শব্দভাণ্ডার বাড়ে👉
“If You’re Happy and You Know It” গান শেখায় শরীরচর্চা ও শব্দ

৬. National Geographic Kids প্রাণীজগত, প্রকৃতি, পৃথিবী সম্পর্কে শেখায় “How bees make honey” দেখে শিশুর জিজ্ঞাসা বেড়ে যায়
৭. SciShow Kids বিজ্ঞানভিত্তিক সহজ ব্যাখ্যা ও পর্যবেক্ষণ শেখায় “Why do leaves change color?” দেখে শিশু জানতে চায় প্রকৃতি নিয়ে

🔍 সচেতনতা ও পরামর্শ:

YouTube Kids অ্যাপে Parent Control ব্যবহার করুন

প্রতি ভিডিওর বিষয়বস্তু আগে দেখে দিন

সময় সীমা দিন — দিনে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট (২-৫ বছর বয়সে) প্রতিদিনেম ৬০ মিনিট।

শিশুর পাশে বসে ভিডিও দেখুন ও আলাপ করুন
এই পোস্টের প্রতিটা চ্যানেলের কার্টুন আমি ৫-৮মিনিট করে দেখে দেখে এই চ্যানেলগুলো সিলেক্ট করেছি। তাই বলছি, কি দেখতে দিচ্ছেন তা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

দয়া করে সচেতন হবেন ৷

(একটি ছেলেকে বলা এক বাবার হৃদয়ছোঁয়া কথা)🤵‍♂️ বাবা ছেলেকে বললেন:> “আগে নতুন বউকে গরুর গাড়ি নয়, পালকিতে করে আনা হতো — জানি...
12/06/2025

(একটি ছেলেকে বলা এক বাবার হৃদয়ছোঁয়া কথা)

🤵‍♂️ বাবা ছেলেকে বললেন:

> “আগে নতুন বউকে গরুর গাড়ি নয়, পালকিতে করে আনা হতো — জানিস কেন?
যাতে সবাই বুঝে নেয়, একজন রাজরানিকে আনা হচ্ছে, সাধারণ কাউকে নয়।
পালকি থেকে নামার পরেও সে যেন সারাজীবন এই সম্মানেই থাকে —
এটা তোর দায়িত্ব।”

👰‍♀️ “তুই জানিস, নতুন বউ পালকিতে উঠে কী করে?
সে কাঁদে।

কার জন্য কাঁদে?
শুধু ফেলে আসা মা-বাবার জন্য না,
সে কাঁদে অজানা ভবিষ্যতের ভয়ে।

তোর কাজ হলো —
এই কান্নাই তার জীবনের শেষ কান্না হয়, সেটা নিশ্চিত করা।”

😢 “এরপর সে কাঁদবে মাত্র দুইবার:
১️⃣ মা হওয়ার আনন্দে,
২️⃣ তুই মারা গেলে, তোর শোকে।

মাঝখানে যত দুঃখ আসবে,
তুই হবে তার চোখের অশ্রুমুছনো হাত।”

🗣️ “জানিস, বউ সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় কিসে?
স্বামীর খারাপ ব্যবহারে।

আমি খুব রাগী,
তবু কখনো তোর মায়ের সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলিনি।
বিয়ে মানে একটা মেয়ের জীবনের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া।
এ দায়িত্ব ভুলে গেলে, সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহি করতেই হবে।”

🙏 “আরেকটা কথা মনে রাখিস —
তোর বউয়ের মা-বাবাকে কখনো ‘শ্বশুর-শাশুড়ি’ বলিস না,
মা-বাবা বলিস।
তুই যেমন বলবি, তোর বউ তেমনই শিখবে।
ভালোবাসা শেখানো শুরু হয় নিজের ব্যবহার দিয়ে।”

⚖️ “সৃষ্টিকর্তা সবকিছু দেখেন।
তোর পাল্লায় তুই যা দিবি,
তিনি তাঁর পাল্লায় ঠিক তাই দিবেন।”

---

❤️‍🔥 বিয়ে মানে শুধু দু’জন মানুষের বন্ধন নয়,
এটা একে অপরের চোখের জল মুছে ফেলার চুক্তি।

📌 যদি বাবার এই উপদেশ ভালো লেগে থাকে,
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন — হয়তো কোনো এক ছেলের চোখ খুলে যাবে আজ।

#বিয়ের_উপদেশ #বাবার_কথা #পালকির_সম্মান

সময়টা ছিল ১৯৭৪ এটাই ছিল অগ্রণী ব্যাংকের চেক বই। আজ থেকে ৫১ বছর আগের কথা বলছি তখন এক টাকায় গরুর গাড়ি ভর্তি বাজার আসতো,...
07/06/2025

সময়টা ছিল ১৯৭৪ এটাই ছিল অগ্রণী ব্যাংকের চেক বই।

আজ থেকে ৫১ বছর আগের কথা বলছি তখন এক টাকায় গরুর গাড়ি ভর্তি বাজার আসতো, ৫০ টাকায় ৩ থেকে ৫ বিঘা জমি পাওয়া যেতে, ছিল না ইন্টারনেট ছিল না টাচ মোবাইল ছিল না কম্পিউটার। চিঠির মাধ্যমে ভাব আদান প্রদান হতো কারো সাথে কথা বলার জন্য। চিঠির অপেক্ষায় থাকতে হতো। আজকে চিঠি দিলে ১৫ থেকে ২০ দিন পরে খবর আসতো। প্রতিবেশীদের সাথে কতটা মিল মহব্বত ছিল, একে অপরের সবসময় খোঁজ খবর রাখতো। সুখে-দুখে সব সময় সবাই সবার পাশে থাকতো। আজ ৫১ বছর পার হয়ে গেছে, ২০২৫ এ আমি আপনি কোথায় আছি একটু চিন্তা করে দেখেন।মোবাইল আছে কম্পিউটার আছে ল্যাপটপ আছে ইন্টারনেটের যুগ তারপরও পাড়া প্রতিবেশীর খবর রাখি না। পৃথিবীটা যত উন্নত হচ্ছে আত্মীয়তার সম্পর্কটার দূরত্ব বাড়ছে। আজ ভেজালে ভরে গেছে সারা পৃথিবী। বিশ্বাস এতটাই ভেঙ্গে গেছে নিজের রক্তের সম্পর্ক কেউ বিশ্বাস করতে এখন দ্বিধাবোধ লাগে চিন্তা করেন আমি আপনি কোথায় আছি।

নখ দেখে ১০০ ঔষধ নির্নয়ঃ-1. Acid-Floricপ্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, দ্রুত বৃদ্ধি পায়।ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।রোগ- প...
06/06/2025

নখ দেখে ১০০ ঔষধ নির্নয়ঃ-

1. Acid-Floric
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।
একক লক্ষণ- দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

2. Acid-Muriaticum
বর্ণ- নীলচে।

3. Acid-Niticum
প্রকৃতি- হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র।
বর্ণ- নীলচে, বর্ণ বিকৃতি, সাদা, হলুদ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

4. Acid-Oxalicum
বর্ণ- নীলচে, কালচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ।

5. Acid-Phosphoricum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত।

6. Acid-Sulphuricum
বর্ণ- কৃষ্ণনীলবর্ণ।
রোগ- হাতের নখে ক্ষত।

7. Aconitum Napellus
বর্ণ- নীলচে।

8. Aesculus Hippocastanum
বর্ণ- নীলচে।

9. Agaricus Muscarius
বর্ণ- নীলচে।

10. Alumina
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ।
বর্ণ- সাদা।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

11. Ambra grisea
বর্ণ- হলুদ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

12. Ammonium-carbonicum
বর্ণ- হলুদ।

13. Anacardium Orientale
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত।

14. Antimonium-crudum
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, বাড়তে চায় না, পুরু নখ, নখে ফাড়া।
বর্ণ- বর্ণ বিকৃতি।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
ফাটা- হাতের নখ।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।
একক লক্ষণ- বাড়তে চায় না।

15. Apis-Mellifica
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, বেগুনি।
রোগ- নখের নিচে রক্ত জমে।
একক লক্ষণ- নখের নিচে রক্ত জমে।

16. Apocy-cannabinum
বর্ণ- নীলচে।

17. Argentum-Nitricum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে ঋতুস্্রাব কালে।

18. Arnica-Montana
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

19. Arsenicum-album
প্রকৃতি- পক্ষীর নখের ন্যায় বক্র, নখগুলি ঢেউ খেলান, নখগুলি আড়াআড়ি ভাবে ঢেউ খেলান।
বর্ণ- কালো, নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, বর্ণ বিকৃতি, কৃষ্ণনীলবর্ণ, বেগুনি, লাল, লাল ও কালো, সাদা।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।
ফাটা- হাতের নখ।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।
একক লক্ষণ- নখগুলি আড়াআড়ি ভাবে ঢেউ, খেলান, পক্ষীর নখের ন্যায় বক্র, লাল ও কালো।

20. Asafoetida
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

21. Aurum-metallicum
বর্ণ- নীলচে, হলুদ।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

22. Baryta Carbonica
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

23. Belladona
বর্ণ- হলুদ।

24. Borax
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

25. Bovista
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

26. Bryonia Alb
বর্ণ- হলুদ।

27. Cactus Grandi
বর্ণ- নীলচে।

28. Calc- carbonica
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত।

29. Camp-officinalis
বর্ণ- নীলচে।

30. Cantharis Versicatoria
বর্ণ- হলুদ।

31. Carboneum-Sulpuratum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

32. Carboneum—Vegetabilis
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।

33. Castor-eque
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি।

34. Causticum
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

35. Chamomilla
বর্ণ- হলুদ।

36. Chelidonium majus
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

37. China
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।

38. Chininum arsenicosum
বর্ণ- নীলচে।

39. Chininum sulphuricum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

40. Cicuta virosa
বর্ণ- নীলচে।

41. Cocculus Indica
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

42. Colchicum Autumnale
বর্ণ- নীলচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ।

43. Conium maculatum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

44. Crotalus-horridus
রোগ- রক্ত চুয়ে পড়ে আঙ্গুলের নখ হতে, পায়ের নখে ক্ষত।
একক লক্ষণ- রক্ত চুয়ে পড়ে আঙ্গুলের নখ হতে।

45. Cuprum Metallicum
বর্ণ- নীলচে, সাদা।

46. Digitalis purpurea
বর্ণ- নীলচে।

47. Diosma lincaris
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

48. Drosera Rotundifolia
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

49. Eupatorium purpureum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

50. Ferrum-arsenicosum
বর্ণ- নীলচে।

51. Ferrum Metalicum
বর্ণ- নীলচে, হলুদ।

52. Ferrum-phosporicum
বর্ণ- নীলচে।

53. Gelsemium sempervirens
বর্ণ- নীলচে।

54. Ginseng
বর্ণ- নীলচে।

55. Graphites
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ, পুরু পায়ের আঙ্গুলের নখ।
বর্ণ- কালো, নীলচে, বর্ণ বিকৃতি।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

56. Hepar-sulphuris
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

57. Iodium
রোগ- হাতের নখে ক্ষত।

58. Ipecac
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

59. Kali-arsenicosum
বর্ণ- নীলচে শীতাবস্থায়।

60. Kali-Carbonicum
রোগ- হাতের নখে ক্ষত।

61. Lachesis
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

62. Leptandra Virginica
বর্ণ- কালো।

63. Lithum-carbonicum
বর্ণ- লাল।

64. Lycopodium
বর্ণ- হলুদ।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

65. Mancinella Venenata
বর্ণ- নীলচে।

66. Medorrhinum
প্রকৃতি- ক্ষয় রোগের ফলে হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র।

67. Merc-corrosivus
বর্ণ- ধূসর বর্ণ।

68. Mercurius vivus
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ।
বর্ণ- নীলচে, হলুদ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

69. Merc-sulphuricus
বর্ণ- নীলচে।

70. Mezereum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

71. Morphinum salts
বর্ণ- কালচে।

72. Natrum-muriaticum
বর্ণ- কালো, নখের চারদিকে কালো, নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।
ফাটা- নখের চারধারের চর্ম ফাটা বা অমসৃণ, হাতের নখ।
শুষ্কতা- হাতের নখের চারিদিকে।
রোগ- নখকুনি, হাতের নখে ক্ষত।
একক লক্ষণ- নখের চারধারে কালো বর্ণের, নখের চারধারে চর্মে ফাটা বা অমসৃন।

73. Nux-Vomica
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।

74. O***m
বর্ণ- নীলচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ, বেগুনি, হলুদ।
রোগ- রক্ত চুয়ে পড়ে হাতের নখ হতে।
একক লক্ষণ- রক্ত চুয়ে পড়ে হাতের নখ হতে।

75. Petroleum
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

76. Phosphorus
বর্ণ- নীলচে।

77. Platinum metalicum
রোগ- হাতের নখে ক্ষত।

78. Psorinum
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

79. Pulsatilla nigricans
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

80. Ranunculus bulbosus
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

81. Rhus-tox
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।
রোগ- নখকুনি।

82. Sabadilla officinalis
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ।
রোগ- নখকুনি।

83. Sambucus nigra
বর্ণ-বেগুনি।

84. Sangunaria-canadensis
বর্ণ- নীলচে।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

85. Sarsaparilla officinalis
বর্ণ- নীলচে।

86. Secale cornutum
প্রকৃতি- পুরু পায়ের আঙ্গুলের নখ।
বর্ণ-বেগুনি।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

87. Sepia officinalis
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ।
বর্ণ- নীলচে, সাদা, হলুদ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

88. Silicea Terra
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, পুরু নখ, নখে ফাড়া।
বর্ণ- নীলচে, ধূসর বর্ণ, সাদা, হলুদ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।
ফাটা- হাতের নখ।
শুষ্কতা- হাতের নখের চারিদিকে, পায়ের নখে।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

89. Spigelia Anthelmia
বর্ণ- হলুদ।

90. Squila hispania or Scilla
প্রকৃতি- নখে ফাড়া।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

91. Stannum met
রোগ- নখকুনি।

92. Stramonium
বর্ণ-বেগুনি।

93. Sulphur
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ।
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, সাদা, হলুদ।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

94. Sumbulus moschata
বর্ণ- নীলচে।

95. Tarentula hispanica
বর্ণ- নীলচে।

96. Thuja
প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, নখগুলি ঢেউ খেলান।
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, নীলচে ঋতুস্্রাব কালে, বর্ণ বিকৃতি।
ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।
শুষ্কতা- পায়ের নখে।
রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।

97. Tuberculinum Bovinum
প্রকৃতি- ক্ষয় রোগের ফলে হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র।
দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত।

98. Ustilago Maydis
প্রকৃতি- পুরু নখ।

99. Veratrum Album
বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

100. Zincum metallicum
বর্ণ- সাদা।
দাগ- সাদা দাগ।

(পোস্টটা নবীন ডাক্তারদের জন্য লিখিত)

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ (বিস্তারিত বর্ণনা)গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।...
02/06/2025

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ
(বিস্তারিত বর্ণনা)

গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।

গরুর খামার ঘর তৈরি করতে জানা অর্থ কিভাবে আপনি নিজের নির্দিষ্ট টাকা ও জায়গা দিয়ে গরুর জন্য সর্বোচ্চ আরামদায়ক সেডের ব্যবস্থা করবেন। এর জন্য আপনাকে গরুর ঘরের বিভিন্ন অংশের মাপ এবং এই মাপগুলো কম-বেশি করলে কি সুবিধা-অসুবিধা তা জানতে হবে।

গরুর ঘর তৈরির নিয়ম
প্রথমে আমরা ঠিক করব খামারে দুই সারিতে নাকি এক সারিতে গরু পালব। দুই সারির নিয়ম বুঝলে এক সারি সহজেই বোঝা যাবে। দুই সারি করে হিসাব করলে ১০ টি গরুর জন্য প্রতি সারিতে ৫ টি করে গরু থাকে। আর মাঝে হাটার জন্য একটি রাস্তা। সুতরাং এক সারি গরু ও মাঝের রাস্তার জায়গার হিসাব করলেই ঘরের জায়গার হিসাব বেড়িয়ে যাবে ইংশাল্লাহ।

গরুর খামার তৈরির নকশা
প্রথমে ঘরের চওরা। একটি গরুর জন্য মাথা থেকে পেছন পর্যন্ত ৬ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত জায়গা দিতে হবে। আমরা ধরে নিলাম এটি ৭ ফুট(জায়গা বেশি থাকলে ৮ ফুট করা ভাল) । গরুর সামনে খাবার পাত্রের জন্য ২.৫ ফুট জায়গা আর পেছনে ড্রেনের জন্য 0.৫ ফুট জায়গা রাখা হল।
সুতরাং এক সারি গরুর জন্য টোটাল ৭ + ২.৫ + 0.৫ = ১০ ফুট জায়গা দরকার। এবং দুই সারির জন্যে চওরায় ২০ ফুট।

গরুর খামার তৈরির নকশা
মাঝের রাস্তা মিনিমাম ৪ থেকে ১০ ফুট রাখতে হয়। আমরা এখানে ৪ ফুট ধরলাম। সুতরাং ঘরের চওড়া টোটাল ২০ + ৪ = ২৪ ফুট।

একটি গরুর জন্য তার সামনে ৪ ফুট( জায়গা বেশি থাকলে সাড়ে ৪ ফুট) জায়গা দিতে হবে, অর্থাৎ গরু থেকে গরুর দুরত্ব হবে ৪ ফুট। তাহলে ৫ টি গরুর জন্য ২০ ফুট। সাথে গেটের জন্য ৪ ফুট লাগবে।
সুতরাং মোট লম্বা ২৪ ফুট, গেট মাঝ রাস্তা দিয়ে হলে ২০ ফুট।

আমাদের দেশের শেডের উচ্চতা নরমালি ১০/১৩ বা ১২ / ১৫ ফিট বা ১২ / ১৪ ইত্যাদি হয়ে থাকে। শেড যত উচু হবে তত ভালো। আধুনিক বড় খামারগুলোতে ৪০-৫০ ফিট শেড উচু করতে হয়।

হেড টু হেড / টেল টু টেল
হেড টু হেডঅর্থ হল গরু গুলো ভেতরে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে গোবর বাইরে পড়বে।
টেল টু টেল অর্থ গরুগুলো পরস্পরের বিপরীতে দাঁড়াবে, গোবর ভেতরে পড়বে।

দুটো সিস্টেমেরই সুবিধা – অসুবিধা আছে। নিচে তুলে ধরা হল-

হেড টু হেডের সুবিধাঃ
১। খাবার দিতে সুবিধাঃ হেড টু হেডের ক্ষেত্রে গরুগুলো মুখোমুখি দাড়াবার কারনে দ্রুত ও ভালোভাবে খাবার দেওয়া যায়।
২। গ্যাসের সমস্যা কমঃ গোবর – প্রসাব বাইরের দিকে পড়ার কারনে ভেতরে গ্যাসের সমস্যা কম হয়।
৩। গরুর গুতোর বিপদ নেইঃ গরু গুলো খাবার পাত্রের অপর পাশে থাকার কারনে গুতো খাবার বিপদ কম।
৪। ছেড়ে গরু পালনের জন্য সুবিধাঃ গরুর পেছনে খালি মাঠ বা জায়গা থাকে। ফলে এক্ষেত্রে হেড টু হেড সিস্টেম একমাত্র উপায়।

টেল টু টেলের সুবিধাঃ
১। পর্যাপ্ত আলো বাতাসঃ গরুর মুখ বাহিরের দিকে থাকার কারনে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পায়।
২। দ্রুত গোবর-মূত্র পরিস্কার করা যায়ঃ দুই সারির গোবর এক দিকে পরার কারনে সহজে ও দ্রুত পরিস্কার করা যায়।
৩। দুধ দোয়ানোতে সুবিধাঃ ভেতরের দিকে থাকার কারনে দুই সারি গাভি থেকে সহজে দুধ নেওয়া যায়।
৪। শ্বাসজনিত রোগ সহ অন্যান্য রোগ ছড়াবার সম্ভাবনা কমঃ প্রায় সব রোগ মুখের শ্বাস, লালা, নাকের মিউকাস ইত্যাদি দিয়ে ছড়ায়। গরুগুলো একে অপরের বিপরীত দিকে থাকার কারনে এটির সম্ভাবনা কম।
৫। একটি ড্রেনই যথেস্টঃ পাশে একটু বেশি জায়গা দিয়ে মাঝে একটি ড্রেন দিয়েই সমস্ত ময়লা দূর করা যায়।
৬। গোসলে সুবিধাঃ দ্রুত ও সহজে গোসল দেওয়া যায়।

এবার আলোচনা করা যাক কোনটি ভালো। দেখা যাচ্ছে টেল টু টেলের সুবিধা অনেক বেশি। কিন্তু হেড টু হেডের সুবিধাগুলো কি আসলেই সুবিধা কিনা, কিংবা সেগুলোর গুরুত্ব কতটুকু সেটা একটু দেখা যাক।

প্রথমত, খাবার দেবার সুবিধার কথা যদি ভাবা হয় তাহলে অন্য দিকে গোবর পরিস্কার, গোসল, দুধ দোয়ানো সহ অনেক কাজে অসুবিধা বেশি। কাজেই এ পয়েন্টটি টিকছে না। দ্বিতীয়ত, গোবরের গ্যাসের কথা ভাবতে গিয়ে গরু যদি আলো বাতাস কম পায় তাহলে সেটা তেমন কাজে দিবে না।
এদিকে গাভির ক্ষেত্রে গুতোর তেমন সম্ভাবনা নেই। ফ্যাটেনিং এর ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ন। তবে টেল টু টেলে যদি খাবার বাইরে থেকে দেওয়া যায় তাহলে এ সমস্যাটা থাকছে না।
তবে ছেড়ে গরু পালার ক্ষেত্রে হেড টু হেডের বিকল্প নেই। আমাদের দেশে এখন অনেক আধুনিক খামার গড়ে উঠছে যেগুলোতে গরু ছেড়ে পালার সিস্টেম থাকে। এসব ক্ষেত্রে হেড টু হেড সবচেয়ে ভালো। অন্যথায় টেল টু টেল সিস্টেম হেড টু হেডের চেয়ে অনেক গুনে ভালো।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে একটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যে শেড বানাবার সময় বেশিরভাগ খামারি নিজের সুবিধার কথা ভাবে, গরুর সুবিধা না (অবশ্য বর্তমানে অনেক শিক্ষিত খামারির সংখ্যা বাড়ছে) । হেড টু হেড হলে সে সহজেই খাবার পানি দিতে পারবে। অথচ খামারে লাভ করার সূত্রের ৪ নাম্বার শর্ত ছিল গরুকে আরামদায়ক পরিবেশ দেওয়া।

তবে অনেক খামারির পক্ষে আসলে হেড টু হেড ছাড়া উপায় থাকে না। আলাদা ঘর না থাকার কারনে চোরের উপদ্রপের ভয়ে বাহিরের দেয়াল উচা বা টিন দিয়ে ঘেরাও করে ফেলতে হয়। ফলে গরুকে হেড টূ হেড রাখতে হয়। আবার জায়গার স্বল্পতার কারনে অনেকের বাহিরে গিয়ে খাবার দেবার উপায় থাকে না।
কিন্তু একটু বুদ্ধি করে টিনের মাঝে জানালার মত করে ফাকা করে রাখলে বাহির থেকে খাবার দেওয়া যায়। আবার রাতে বন্ধ করে রাখা যায়। কিন্তু ওই যে বললাম, বেশিরভাগ খামারি এই কস্ট টুকু করতে চায় না।

ঘরের মেঝে কেমন হবে
উদ্দেশ্য হল যাতে সহজের পরিস্কার করা যায় এবং গরুর জন্য কোন সমস্যার না হয়।
ফ্লোর বা মেঝে দুই ভাবে বানানো যায় –
১। ইট দিয়ে সলিং
২। ঢালাই

১। ইট দিয়ে সলিংঃ বালু দিয়ে তার উপর ইটের সলিং পেতে সিমেন্ট বালুর মশলা তৈরি করে দুইটি ইটের সংযোগ স্থলে মশলা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।
এটি খুব ভালো ভাবে করতে হবে। অন্যথায় কদিন পর পর ইট উঠানোর ঝামেলা আছে। এমনকি এখন না হলেও ৪/৫ বছর পর ইট উঠে যায় এবং উচু নিচু হয়ে যায়। ফাকা জায়গা দিয়ে গরুর প্রসাব ও গাসলের পানি কাদা তৈরি হয়।

২। ঢালাইঃ সিমেন্ট মশলা দিয়ে একেবারে ঢালাই দেওয়া হয়। ভালভাবে না দিলে এখানেও কদিন পর পর ঢালাই উঠে যায়।
ঢালাইতে পিছলে গরু পরে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই সাবধান থাকতে হবে।

খামারে ঘরের মেঝে ঢালু দিতে হবে যাতে গোবর ময়লা সহজেই ড্রেনে চলে যায়। মাঝের রাস্তার স্লোপ বা ঢালু মাঝখান থেকে দুই দিকে যাবে। এতে পানি দু দিকে চলে যাবে। মেঝের ঢাল সামনে থেকে ড্রেনের দিকে গাভীর ক্ষেত্রে প্রতি ফিট এর জন্য ০.২৫ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর জন্য ০.৫০ ইঞ্চি করে দিতে হবে। ফলে ৮ ইঞ্চির জন্য গাভির ক্ষেত্রে ২-৩ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর ক্ষেত্রে ৪-৫ ইঞ্চি ঢাল দিতে হবে।
গাভির চেয়ে ষাড় গরুতে ঢাল বেশি দেবার যুক্তি হিসেবে বলা হয় যে পেছনে বেশি ঢালু থাকলে পেছনে মাংস তারাতারি বাড়ে। কিন্তু এটি সাইন্টিফিক কিনা জানি না।

গরুর খাবার ও পানির হাউস ( চারি )
অনেকে ভাবেন খাবার হাউস যত উচু হবে তত ভালো, গরু সহজে খেতে পারবে। ব্যাপারটাকে তারা অনেকটা ডাইনিং টেবিলের মত বানিয়ে ফেলেছেন। মানুষের যেমন ডাইনিং টেবিলে খেতে সুবিধা হয়, গরুর ক্ষেত্রেও তেমনটা ভাবা হচ্ছে।

কেন ডাইনিং টেবিল নয় ?

গরু স্বাভাবিক ভাবে মাঠে নিচে থেকে ঘাস খায়। এটাই তার স্বভাব। তাই খাবার জায়গা উচা করে দেওয়া অর্থ তার স্বভাবের বিরুদ্ধে কাজ করা।
এছাড়া মুখ নিচের দিকে থাকার কারনে মুখ দিয়ে যথেস্ট লালা আসে যা খাবারের হজমে সহায়ক। অথচ খাবার স্থান উচা করে দিলে যথেস্ট পরিমান লালা আসে না।
আলাদা খাবার ও পানির পাত্র করতে ব্যাপক পরিমান খরচ হয়, অথচ এই খরচের কোন প্রয়োজন ছিল না।

তাই গরুর সামনে সামান্য উচু দেওয়াল করে লোহার পাইপ বা বাশ টেনে দিতে হবে (নিচের ছবির মত)। এর সামনে ফ্লোরেই খাবার রাখতে হবে। পানি আলাদা একটি পাত্র বা কাটা ড্রামে দেওয়া যেতে পারে কিংবা জায়গা থাকলে পানির জন্য আলাদা লাইন করতে হবে।

কিন্তু কিছু পুরোনো গরুর খামার ভিসিট করলে অনেকের মনে নিচের প্রশ্নগুলো আসবে ?

পুরোনো খামারে তো খাবার হাউজ উচু করে দেওয়া আছে। তাদের তো লস হচ্ছে না।
পাত্র উচু করে দেওয়ার জন্য গরু খাচ্ছে না বা অসুস্থ হয়েছে এমন তো কোন প্রমান নেই।
এভাবে ফ্লোরে খাবার দিলে খাবার নস্ট হয়।
হ্যা, পুরোনো পদ্ধতিতে খাবার দিলে আপনার লস হবে তা নয়, কারন গরু তো এর জন্য খাওয়া বন্ধ রাখবে না। তবে

এটি গরুর জন্য আরামদায়ক বা স্বাভাবিক হবে না।
হাউজ উচু করতে অতিরিক্ত খরচ হবে।
প্রযুক্তি সর্বদাই পরিবর্তন হয়। টিকে থাকে তারাই যারা প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।
আর ফ্লোরে খাবার নস্ট দূর করার জন্য উপরের ব্যাপারটিকে ঠিক রেখেই আমরা একটি ব্যবস্থা নিতে পারি। সেটা হল খাবারের হাউস বানানো হবে কিন্ত তার গভীরতা হবে একেবারে ফ্লোরের কাছাকাছি, উচ্চতা গরুর সামনে ১২ ইঞ্চি এবং বাইরের দিকে ১৮ ইঞ্চি।

প্রাচীর থেকে নালা দিকে খাবার ও পানির হাউজের জন্য ২.৫ ফিট। প্রতি গরুর জন্য সামনে ৪ ফিট। সুতরাং দুই গরু তে ৮ ফিট। তাহলে মাঝে একটা ২ ফিট পানির হাউজ বানিয়ে বাকি ৬ ফিট অর্থাৎ ৩ ফিট করে প্রতি গরুতে একটা খাবার হাউজ হবে। পানির হাউজ একত্রে বানাবার কারনে জায়গা কম লাগবে, ওদিকে খাবার হাউজে বেশি জায়গা দেওয়া যাবে। এছাড়া আলাদা ভাবে বানালে ৪ ফিটের মধ্যে খাবার হাউজে ২.৫ ফিট এবং পানির হাউজে ১.৫ ফিট করে নিতে হবে। আলাদা রাখার সুবিধা হল এক গরুর রোগ হলে পাশের গরু সহজে সেই রোগে আক্রান্ত হবে না। এছাড়া বোঝা যাবে কোন গরুটি কেমন পানি খাচ্ছে।

ঘরের চাল কেমন হবে ?
কয়েক ধরনের আছে। যেমন –

১। ঢালাইঃ খরচ বেশি, কিন্তু গরমে তাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে। গরুর প্রধান সমস্যা হয় গরমে, শীতে না।
২। টিনের চালঃ খরচ কম, কিন্তু গরম বেশি কিন্তু শীতে ঘর অনেক ঠান্ডা থাকে। এক্ষেত্রে গরম কমাতে চালের নিচে ইন্সুলেসন দেওয়া যেতে পারে।
৩। প্লাস্টিকের চাল = মরিচা ধরে না, রোদের তাপে গরম হয় না, দিনের বেলা আলো পৌছায়।

শেডের চারপাসে ওয়াল কিভাবে দিতে হবে ?
ওয়াল ২.৫ ফুট সবচেয়ে ভালো। তবে চোরের ভয় থাকলে ৩ ফুট পর্যন্ত করে এর উপরে জানালাসহ টিন দেওয়া যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় নেট দিয়ে ঘিরে দিলে। অনেকে ভাবেন শীতে ঠান্ডা লাগবে। কিন্তু আমাদের দেশে গরুর জন্য শীত নয়, প্রধান সমস্যা হয় গরমে।

গরুগুলোকে কি পাইপ /বাশ দিয়ে আলাদা করে দিতে হবে ?
সেডে গরুগুলোকে পাইপ বা বাশ দিয়ে আলাদা করে দিলে এক গরু অন্য গরুর দিকে পায়খানা করতে পারবে না, পেছনের দিকে করবে, ফলে পরিস্কারের সময় সুবিধা হবে। কিন্তু পায়খানা করবে সে গরু বসলে সেটির অপর বসবে, আর গাভি হলে টিট দিয়ে জীবাণু ঢুকে যাবে।

ড্রেনের মাপ কেমন হবে ?
প্রসাব ও গোবর যাবার ড্রেনের জন্য – ড্রেন ০.৫ থেকে ১.৫ ফিট লম্বা এবং ১ থেকে ২.৫ ফিট গভীর হতে হবে। তবে ড্রেনের ওপর খোলা থাকলে গভীরতা যাতে বেশি না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। গরুর পা পড়ে এক্সিডেন্ট হবার সম্ভাবন রয়েছে।

শেড কি পূর্ব পশ্চিম নাকি উত্তর দক্ষিন ?
পূর্ব – পশ্চিমে শেড করার ব্যাপারটি পোল্ট্রিতে যত গুরুত্বপূর্ণ, গরুর খামারের ক্ষেত্রে তত নয়। কারন পোল্ট্রিতে এমোনিয়া গ্যাস জমলে অনেক রোগের সৃষ্টি হয়ে মুরগি মারা যায়, যেমন, ঠান্ডা বিশেষ করে মাইকোপ্লাসমা দ্বারা এবং পরবর্তীতে ঠান্ডার কারনে আরো অনেক রোগের আগমন। কিন্তু গরুর ক্ষেত্রে প্রোডাকসনে প্রবলেম নিয়ে আসে তা নয়। তবে চেস্টা করতে হবে পূর্ব পশ্চিমে করার।

শীতকালে আমাদের দেশে বায়ু সাধারণত উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে ভূ-পৃষ্ঠের প্রচন্ড উত্তাপে ভারতের পশ্চিম-কেন্দ্রভাগ জুড়ে একটি নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে বঙ্গোপসাগর থেকে একটি উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুস্রোত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উল্লিখিত নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়। কাজেই সেড পূর্ব পশ্চিম বরাবর লম্বা করলে সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারবে।

আরো একটি সুবিধা হল যে সূর্যের আলো তখন গরুর পেছনে অর্থাৎ প্রসাব ও গোবরের ওপর পরে, ফলে ন্যাচারালি কিছুটা জীবানুমুক্ত হয়। কিন্তু সেড উত্তর দক্ষিনে লম্বা করলে সূর্যের আলো সরাসরি গরুর মুখে পড়বে।

♻️ শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার প্রোফাইলে শেয়ার করে রেখে দিন কাজের সময় খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

আমরা প্রায়ই শুনি, “মেয়েরা বাবার আদরের ধন” — শুনতে আবেগময়, তবে এর পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও। মনোবিজ্ঞান, নিউরোসায়েন্স...
26/05/2025

আমরা প্রায়ই শুনি, “মেয়েরা বাবার আদরের ধন” — শুনতে আবেগময়, তবে এর পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও। মনোবিজ্ঞান, নিউরোসায়েন্স ও সমাজবিজ্ঞানের আলোকে দেখা যাচ্ছে, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়, বরং গভীরভাবে প্রভাবিত বৈজ্ঞানিক বাস্তবতায়।

---

🧠 মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে:
Journal of Neuroscience (2017)-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, বাবারা সাধারণত কন্যাদের মুখাবয়ব, বিশেষ করে তাদের হাসি ও আবেগপ্রকাশের প্রতি বেশি সাড়া দেন। তাদের মস্তিষ্কের amygdala ও prefrontal cortex অঞ্চলে মেয়ের প্রতি সাড়া দেওয়ার হার ছেলের তুলনায় বেশি — যা বাবাকে কন্যার প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

---

👨‍👧 আত্ম-পরিচয় ও পিতৃত্বের বন্ধন:
Developmental Psychology জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, কন্যাসন্তানের সঙ্গে বাবাদের মাঝে গড়ে ওঠে এক ধরনের “protective instinct”। অনেক বাবা তাদের মেয়েকে দুর্বল ভাবেন এবং তাকে রক্ষা করা নিজের দায়িত্ব মনে করেন — এ থেকেই আসে অতিরিক্ত যত্ন ও আবেগ।

---

🧬 জিন ও হরমোনের ভূমিকা:
সন্তান জন্মের সময় পুরুষদের শরীরে oxytocin (ভালোবাসার হরমোন) বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, কন্যাসন্তান জন্মালে এই হরমোনের মাত্রা আরও বেশি বৃদ্ধি পায়, যা বাবার মধ্যে গভীর আবেগ, স্নেহ ও সংযুক্তি তৈরি করে।

---

💬 সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব:
বাংলাদেশসহ বহু সংস্কৃতিতে কন্যাসন্তানকে একটি দায়িত্ব, গর্ব ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বাবারা মেয়ের ভবিষ্যৎ, সুরক্ষা ও সম্মানের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দেন — যা থেকে সম্পর্কটি হয় আরও গভীর ও মমতাময়।

---

🧪 সংক্ষেপে:
বাবা-মেয়ের সম্পর্ক কেবল আবেগের নয় — এটি নিউরোসায়েন্স, হরমোনাল পরিবর্তন ও সামাজিক মানসিকতার সম্মিলিত প্রতিফলন। এ সম্পর্ক মানুষের হৃদয় ও মস্তিষ্কের এক অসাধারণ যুগলবন্দি।

---

➡️ তাই, যখন কেউ বলে “বাবার চোখের মণি”, সেটি কেবল কবিতা বা অনুভূতি নয় — সেটি বলে বিজ্ঞানও।

#মনোবিজ্ঞান #বাবা_মেয়ে

নতুন টাকা ২০২৫🇧🇩
26/05/2025

নতুন টাকা ২০২৫🇧🇩

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হরেকরকম.কম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share