HM VAT & TAX Lab

HM VAT & TAX Lab Are you facing any problem of VAT, Income Tax, Customs and Company Law,
We are with you.

15/02/2024

আজ সকালে একজন ভ্যাট কনসালট্যান্ট আমাকে ফোন করে একটা সমস্যার কথা বললেন। সমস্যাটা হলো, তাঁর একজন ক্লায়েন্ট ফার্নিচার আমদানি করে বিক্রি করেন। ফার্নিচার আমদানি করার সময় ভ্যাট পরিশোধ করা হয়েছে। এই ভ্যাট তাঁকে রেয়াত নিতে দেয়া হচ্ছে না।

আমার মতামত হলো, ফার্নিচার আমদানি করে বিক্রি করা হলে তিনি রেয়াত পাবেন। ভ্যাট আইনের ধারা ২ এর উপ-ধারা (১৮ক) এর শর্ত দয়া করে দেখুন। এই শর্ত অনুসারে, ব্যবসায়ী যা কিনে বিক্রি করেন, তার বিপরীতে রেয়াত পাবেন। এই উপ-ধারার দফা (খ) অনুসারে, আসবাবপত্র রেয়াতযোগ্য নয়, সেটা ব্যবসায়ী ছাড়া অন্যান্যদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

অর্থাৎ উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী, সেবা প্রদানকারী যদি নিজস্ব ব্যবহারের জন্য আসবাবপত্র কেনেন, সেক্ষেত্রে রেয়াত পাবেন না। কিন্তু ব্যবসায়ী যদি বিক্রি করার জন্য আসবাবপত্র কেনেন সেক্ষেত্রে রেয়াত পাবেন।

আশা করি, বিষয়টা স্পষ্ট হয়েছে।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ

07/02/2024

ভ্যাট টিপস-১১৭/২০২৪:

বিষয়: ভ্যাট নিয়ে একটা মৌলিক ভাবনা।

পাঠকগণ হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে, আমার লেখাগুলো কয়েক ধরনের হয়। ভ্যাট সংক্রান্ত জটিল বিষয় সমাধান দেয়া, জটিল বিষয় বুঝিয়ে দেয়া, অনিয়ম নিরসণ করা, ভ্যাট প্রদানের পদ্ধতি সহজ করা, জনগণকে ভ্যাট বিষয়ে সচেতন করা, ভবিষ্যৎমুখী সংস্কারমূলক আলোচনা করা ইত্যাদি। আজ সংস্কারমূলক আলোচনা করবো, ইন-শা-আল্লাহ।

প্রত্যেকটা করের নির্দিষ্ট ভিত্তি থাকে এবং নির্দিষ্ট মানুষের নিকট থেকে তা আহরণ করা হয়। আয়করের ভিত্তি হলো আয়। যিনি আয় করেন, তিনি আয়কর প্রদান করেন। আয়কর প্রদানকারী সরাসরি সরকারি কোষাগারে আয়কর জমা দেন। আমদানি শুল্কের ভিত্তি হলো আমদানি। যিনি আমদানি করেন, তিনি আমদানি শুল্ক প্রদান করেন। আমদানিকারক সরাসরি সরকারি কোষাগারে আমদানি শুল্ক জমা দেন। হোল্ডিং ট্যাক্স এর ভিত্তি হলো পৌর এলাকায় কোনো স্থাপনা। যার পৌর এলাকায় স্থাপনা আছে, তিনি হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করেন। আমি যতদূর জানি, পৌর কর্তৃপক্ষ হোল্ডিং ট্যাক্স কালেকশন করে নিয়ে যায়। রোড ট্যাক্স এর ভিত্তি হলো গাড়ি। যিনি গাড়িতে চড়ে সড়ক ব্যবহার করেন, তিনি রোড ট্যাক্স প্রদান করেন। গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করার সময় বা নবায়ন করার সময় ব্যাংকের মাধ্যমে রোড ট্যাক্স প্রদান করতে হয়। অর্থাৎ করদাতা সরাসরি সরকারি কোষাগারে করের অর্থ জমা দেন অথবা ব্যাংকে জমা দেন অথবা কর্তৃপক্ষ কর সংগ্রহ করে। ভ্যাটের কথায় আসি। ভ্যাটের ভিত্তি হলো বিক্রয়। যখন পণ্য বা সেবা বিক্রি হয় তখন ভ্যাট পরিশোধ করতে হয়। ভ্যাটের আর একটা মৌলিক কথা হলো, ভ্যাট প্রদান করবেন ক্রেতা বা ভোক্তা। ভ্যাটের ক্ষেত্রে ক্রয় করার সময় ক্রেতা সরকারি কোষাগারে ভ্যাট জমা দিতে পারেন না, ব্যাংকেও জমা দিতে পারেন না। ভ্যাট কর্তৃপক্ষও ভ্যাট কালেকশন করতে পারে না। তাই, ক্রেতাকে বিক্রেতার কাছে ভ্যাট দিয়ে যেতে হয়।

এই দায়িত্ব প্রাথমিকভাবে বিক্রেতার নয়। এই দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে বিক্রেতাকে নিবন্ধন নিতে হয়, হিসাব রাখতে হয়, চালানপত্র ইস্যু করতে হয়, ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়। কর্তৃপক্ষ বিক্রেতাকে অডিট করা হয়, ত্রুটি পাওয়া গেলে বিক্রেতাকে জরিমানা করা হয়। অথচ ভ্যাট দেয়ার প্রাথমিক দায়িত্বই বিক্রেতার ছিল না।

তাহলে করণীয় কি? যখন বিক্রি হয় এবং মূল্য প্রদান করা হয়, তখন ভ্যাট আলাদা করে সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা করা যায় কিনা সে বিষয়টি ভেবে দেখা যায়। তথ্যপ্রযুক্রির সহায়তায় এখন এমন অনেক কাজ করা হয়। বর্তমানে অনলাইন পেমেন্ট উন্নত হয়েছে যা আগামীতে আরো সহজ, ব্যাপকভিত্তিক হবে বলে আশা করা যায়। তাই, যখন বিক্রি হয় তখন মূল্য বিক্রেতার একাউন্টে জমা হবে আর ভ্যাট সরকারি একাউন্টে জমা হবে এমন ব্যবস্থা করা যায়। যেসব পেমেন্ট অনলাইনে হচ্ছে, সেসব পেমেন্টের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রবর্তন করা যায়। এখন থেকে এই পদ্ধতি চালু করা হলে একসময় ভ্যাটের বড় অংশ এই পদ্ধতিতে সহজে ও সঠিকভাবে আহরিত হতে পারবে, ইন-শা-আল্লাহ্।

যাঁরা তথ্য প্রযুক্তির সাথে জড়িত তাঁরা দয়া করে এ বিষয়টা ভেবে দেখতে পারেন। অর্থাৎ যাঁরা তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন তাঁদের জন্য সহজভাবে কর তথা ভ্যাট আদায় করতে অনেক অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। তাঁদেরকে দয়া করে এ বিষয়টা ভেবে দেখার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি এবং পাঠকদেরকে এ বিষয়ে মতামত প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ।
০৭.০২.২০২৪

21/01/2024

ভ্যাট টিপস-১০৩/২০২৪
(কিছু পাঠকের অনুরোধে ভ্যাট টিপস-এর সিরিয়াল ২০২৩ এর পর থেকে কনটিনিউ করা হলো।)

বিষয়: পণ্যের খুচরা মূল্য বেশি লিখে ডিসকাউন্ট দেয়া সংক্রান্ত।

একজন পাঠক প্রশ্ন করেছেন যে, তারা ভ্যাট আইনের বিধান অনুসারে পণ্যের ঘোষণা (মূসক-৪.৩) দাখিল করে এবং ভ্যাট পরিশোধ করে পণ্য বিক্রি করে। তবে, তাদের বিক্রয় কৌশল হিসেবে ঘোষিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য পণ্যের গায়ে লিখে রাখে। কাস্টমারকে ডিসকাউন্ট দিয়ে তারা ঘোষিত মূল্যেই পণ্য বিক্রি করে। সম্প্রতি ভ্যাট অফিস থেকে বলা হয়েছে যে, পণ্যের গায়ে লেখা মূল্যের ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে। এই বিষয়টা কিভাবে সমাধান করা যেতে পারে?

ভ্যাট আইন অনুসারে পণ্যের ঘোষণা (মূসক-৪.৩) দাখিল করতে হয়। মূসক-৪.৩ ফরমে প্রতিটা উপকরণ ব্যবহারের পরিমাণ, মূল্য, মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ করতে হয়। ঘোষিত মূল্যের ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ করে ঘোষিত মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে হয়। তবে, বিক্রয় মূল্য ৭.৫% হ্রাস-বৃদ্ধি করা যায়। বিক্রয় মূল্য ৭.৫% এর চেয়ে বেশি হ্রাস-বৃদ্ধি হলে পুনরায় ঘোষণা প্রদান করতে হয়। ভ্যাট বিভাগের কাছে মূসক-৪.৩ ফরমে যে ঘোষণা দাখিল করা হয়, সে মূল্য পণ্যের গায়ে লিখে রাখার কোনো বিধান নেই। পণ্যের গায়ে যে খুচরা মূল্য এবং উপাদান লেখা থাকে সেটা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং বিএসটিআই রুলস অনুসারে লেখা থাকে বলে জানি। শুধুমাত্র ৪টি পণ্যের ক্ষেত্রে এনবিআর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে যা পণ্যের গায়ে লেখা থাকতে হয়। সে ৪টি পণ্য হলো বিড়ি, সিগারেট, জর্দা ও গুল।

এই ৪টি পণ্য ছাড়া অন্য কোনো পণ্য যদি যথাযথভাবে ঘোষণা (মূসক-৪.৩) দাখিল করে, সে মূল্যের ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ করে বিক্রি করা হয়, তাহলে ভ্যাট আইনের লংঘন হয় না। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং বিএসটিআই রুলস অনুসারে পণ্যের গায়ে মূল্য লেখার যে বিধান রয়েছে তা মেনে চলতে হবে। তবে, আমি সাধারণ জ্ঞানে যা বুঝি সেটা হলো সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের অর্থ হলো, এই মূল্যে বা এর চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি করা যাবে। এর চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করা যাবে না। তাই, আপনি যেহেতু পণ্যের গায়ে লেখা মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি করছেন, সেহেতু কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ভ্যাট আইনের ধারা ২ এর উপ-ধারা (৫৯) অনুসারে, ডিসকাউন্ট বাদ দিয়ে যে মূল্য থাকবে সে মূল্যের ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে।

ভ্যাট অফিসের দায়িত্ব হলো, প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে ভ্যাট আদায় করা। ঘোষণা যথাযথ আছে কিনা সেটা ভ্যাট অফিস যাচাই করতে পারে। আপনার বর্ণনামতে যে কারণে আপনি পণ্যের গায়ে বেশি মূল্য লিখেছেন সে কারণ যদি সঠিক হয়ে থাকে এবং তা যদি ভ্যাট অফিস বুঝতে পারে, তাহলে পণ্যের গায়ে লিখিত মূল্যের ভিত্তিতে ভ্যাট প্রদান করতে বলা সমীচীন নয়। পণ্যের গায়ে বেশি মূল্য লেখা দেখে ভ্যাট অফিসার মনে করতে পারেন যে, পণ্য হয়তো বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। তাঁকে তথ্য-প্রমাণ দিয়ে কনভিন্স করার দায়িত্ব আপনার। যাহোক, আপনার প্রশ্নের সরাসরি উত্তর হলো, আপনার বর্ণিত পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং বিএসটিআই রুলস অনুসারে যদি কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে ভ্যাট আইন অনুসারে এরূপ প্র্যাকটিসে কোনো সমস্যা নেই।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ।
২১.০১.২০২৪

20/01/2024

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

প্রিয় সুধী

জনমনে ভ্যাট সচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ আমরা একটা বিষয় আলোচনা করবো, ইন শা আল্লাহ।

বিষয়টা হলো, ভ্যাট আইনের বিধান অনুসারে, ১৫ শতাংশ বিক্রয় ভ্যাট প্রদান করা হলে উপকরণের ওপর পরিশোধ করা ভ্যাট রেয়াত পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১০, ৭.৫, ৫ ইত্যাদি হ্রাসকৃত হারে বিক্রয় ভ্যাট পরিশোধ করা হলে রেয়াত পাওয়া যায় না। এমন হতে পারে যে, যিনি ১০, ৭.৫, ৫ ইত্যাদি হ্রাসকৃত হারে বিক্রয় ভ্যাট পরিশোধ করেন, তিনি অধিকাংশ উপকরণ ক্রয়ের বিপরীতে আগে ভ্যাট পরিশোধ করেছেন। তার জন্য রেয়াত নেয়া সুবিধাজনক। রেয়াত নিয়ে ১৫ শতাংশ বিক্রয় ভ্যাট প্রদান করলে তার নীট প্রদেয় ভ্যাট ৩/৪ শতাংশের বেশি হয় না। এটা একটা বড় সুবিধা। আইনে এভাবে ভ্যাট পরিশোধ করার বিধান রয়েছে যা অনেকে জানেন না বা জানলেও নানা কারণে প্র্যাকটিস করেন না।

ভ্যাট আইনের ধারা ১৫ এর দ্বিতীয় শর্তে উল্লেখ রয়েছে যে, যারা ১০, ৭.৫, ৫ ইত‌্যাদি হ্রাসকৃত হারে বিক্রয় ভ‌্যাট প্রদান করেন বিধায় রেয়াত নিতে পারেন না, তাঁরা স্বেচ্ছায় ১৫ শতাংশ বিক্রয় ভ্যাট প্রদান করে রেয়াত নিতে পারবেন।

আপনি দয়া করে চিন্তা করে দেখুন যে আপনার প্রতিষ্ঠান এমন কিনা। এমন হলে আপনার করনীয় কি তা নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পেরেছেন। এ বিষয়ে কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে দয়া করে এই গ্রুপের ভ্যাট ফোরামের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

18/01/2024

প্রশ্ন: ভ্যাট কমিশনারেট থেকে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে চিঠি পাঠিয়েছে। এখন আপিল করতে চাচ্ছি, করণীয় কি?

উত্তর: পণ্য সরবরাহের পূর্ব ১৫ দিনের মধ্যে উপকরণ-উৎপাদ সহগ (মূসক-৪.৩) ঘোষণা দেয়া বাধ্যতামূলক। পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৭.৫% হ্রাস/বৃদ্ধি পেলে পুনরায় এই ফরমে ঘোষণা দাখিল করার প্রয়োজন হয়।

দাখিলকৃত মূসক-৪.৩ এর সরবরাহমূল্য মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (ন্যায্য বাজার মূল্য নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯ এর আলোকে সাধারণত সার্কেল অফিস যাচাই করে থাকে। তদন্ত প্রতিবেদনের পর যুগ্ম-কমিশনার বা অতিরিক্ত কমিশনারের দপ্তরে শুনানিগ্রহণ পূর্বক ন্যায্য বাজারমূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত পত্র/আদেশ জারি করা হয়। শুনানিতে অংশগ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে লিখিত জবাব দাখিল করা শ্রেয়।
কমিশনারের পক্ষে জারিকৃত এই আদেশে উল্লেখিত বৃদ্ধিকৃত মূল্যের মূসক দাখিলপত্রের মাধ্যমে বৃদ্ধিকারী সমন্বয় করতে হয়। এই ক্ষেত্রে ওই মূসক-৪.৩ এর আলোকে যত পণ্য সরবরাহ করা হয়েছিলো তা হিসবাকরে 'বকেয়া মূসক' পরিশোধ করতে হয়। নতুন মূল্য কার্যকর ও বকেয়া মূসক পরিশোধ সংক্রান্ত দলিলাদি দাখিলের জন্য সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে পত্র দিয়ে থাকেন।

কমিশনারের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে ৯০ দিনের মধ্যে আপিলাত ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে হবে। এক্ষেত্রে 'বকেয়া মূসকের' কোনো পরিমাণ জমা দিতে হবে না। আপিলের একটি কপি সার্কেল অফিসে জমা দিতে পারেন। সংক্ষুব্ধ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ ও আপনার মূল্যই যে সঠিক ছিলো সেসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংযুক্ত করতে হবে।

মূসক-৪.৩ তৈরি, শুনানিতে অংশগ্রহণ, প্রতিষ্ঠানের পক্ষে লিখিত বক্তব্য দাখিল, আপিলাত ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা এবং কর চালানপত্র অনুযায়ী ব্যাংক রিসিপ্ট ও অডিট রিপোর্ট তৈরিতে একজন দক্ষ প্রফেশনালের প্রয়োজন রয়েছে। একটা আদর্শ ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আপনার প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক ঝুঁকিমুক্ত রাখবে ইনশাআল্লাহ। এ বিষয়ে কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে এই গ্রুপের ভ্যাট ফোরামের প্রতিনিধির সাথে অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করতে পারেন।

ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।

31/12/2023

ভ্যাটের আদর্শ হার-১৫%, আদর্শ হারে ভ্যাট প্রদান করলে, আমদানি বা স্থানীয় ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রদানকৃত ভ্যাট সরকার আপনাকে মাসিক দাখিলপত্রের মাধ্যমে ফেরত প্রদান করবে।

ভ্যাটের হ্রাসকৃত হার হচ্ছে -১০%, ৭.৫%, ৫%, ৪.৫%, ২.৪%, ২%, ১.৫%,
হ্রাসকৃত হারে ভ্যাট প্রদান করলে, আমদানি বা স্থানীয় ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রদানকৃত ভ্যাট সরকার আপনাকে ফেরত প্রদান করবে না।

আশা করি পাঠকবৃন্দ বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন
পরবর্তীতে আমরা রেয়াত( ফেরত) পাওয়ার পদ্ধতি আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ

30/12/2023

ভ্যাট টিপস-০৯১/২০২৩

বিষয়: ভ্যাট ফাঁকি দেয়ার চেয়ে ভ্যাট প্রদান করা সুবিধাজনক।

প্রিয় সুধী
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

ভ্যাট এরিয়াতে দীর্ঘ ২৮ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে, কেউ কেউ বলে থাকেন যে, ভ্যাট ফাঁকি না দিয়ে পারা যায় না। আমি ভ্যাট দেই কিন্তু অনেকে ভ্যাট দেয় না। ভ্যাট যোগ করলে কাস্টমার কেনে না। ভ্যাট দিলেও বিবিধ ব্যয় করতেই হয় ইত্যাদি নানা কথা। কিন্তু ভ্যাট ফাঁকি দিলে হিসাবপত্র ম্যানিপুলেট করতে হয়। অনেকের সাথে অনৈতিক লিয়াজোঁ রাখতে হয়। গোপনীয়/বিবিধ খরচ বেড়ে যায়। হিসাবপত্র সঠিক থাকে না। ভবিষ্যতে বিপদে পড়ার আশংকা থেকেই যায়। ভবিষ্যতে অডিট হলে যা ফাঁকি দেয়া হয়েছে জরিমানা, সুদসহ তার চেয়ে কয়েকগুণ দাবির ‍সৃষ্টি হয়। এসব মামলা-মোকদ্দমা করতে যেয়ে সর্বশান্ত হওয়ার নজিরও রয়েছে।

অপরদিকে, সঠিকভাবে ভ্যাট পরিশোধ করলে এই সব কোনো সমস্যা থাকে না। লাইফ সহজ হয়ে যায়। আমাদের দেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা কোনো কর ফাঁকি দেয় না, কোনো নিয়ম-কানুনের লংঘন করে না। সব নিয়ম-কানুন মেনে তারা ভালো ব্যবসা করছে। এমন প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে সরাসরি আমাকে মেসেজ দিন। আমি জানিয়ে দেবো, ইন-শা-আল্লাহ। এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মূলনীতি হলো, সব আইন সঠিকভাবে পালন করবো, সরকারের ন্যায্য পাওনা সরকারকে দিয়ে দেবো, কোনো গোপনীয়/বিবিধ খরচ করবো না। আলহামদুলিল্লাহ, তাদের সমস্যা হচ্ছে না। কারণ, সবাই জানে যে, তারা ফাঁকি দেয় না। তাই, তাদের কেউ ডিসটার্ব করে না।

তাই, আমাদের বক্তব্য হলো, ভ্যাট ফাঁকি না দিয়ে ব্যবসা করা যায় না, এ ধরনের বক্তব্য সকল ক্ষেত্রে সঠিক নয়। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে এ ধরনের প্র্যাকটিস থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অর্থাৎ ভ্যাট ফাঁকি দেয়ার চেয়ে ভ্যাট প্রদান করা সুবিধাজনক।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ এবং প্রশিক্ষক।

Are you facing any problem of VAT, Income Tax, Customs and Company Law, We are with youAll Kinds of solution regarding V...
30/12/2023

Are you facing any problem of VAT, Income Tax, Customs and Company Law,
We are with you

All Kinds of solution regarding VAT,Tax, Customs & Company Law

Found on Google from facebook.com

30/12/2023

আমদানিকারকদের ভ্যাট রেজিস্টার ও মূসক চালান প্রতি মাসে ভ্যাট অফিসে জমা দেয়ার নতুন কোনো নিয়ম চালু হয়েছে? কোন কোন বইতে হিসাব রাখতে হবে?
উত্তর : বাণিজ্যিক আমদানিকারক ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি সংক্রান্ত ব্যবসায়িদের জন্য মূসক ৪.৩, মূসক ৬.৩, মূসক ৬.১, মূসক ৬.২ বা মূসক ৬.২.১, মূসক ৬.৭, মূসক ৬.৮ ও মূসক ৬.৬ সাধারণত ব্যবহার করতে হয়। এসব মূসক দলিলাদিতে সংরক্ষিত হিসাব রিটার্ন ফরমের সাথে দাখিল করার নিয়ম আগেও ছিল। সম্প্রতি কাস্টমস্ থেকে নতুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এখন থেকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন আপডেট না থাকলে পণ্য খালাসে অনুমতি দেয়া হবে না। এছাড়াও হিসাবরক্ষণসহ রিটার্ন দাখিলের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার শর্তারোপ করা হয়েছে। অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময় সাপোর্টিং ডক্যুমেন্ট হিসেবে উল্লেখিত কর দলিলাদির এটাচমেন্ট দিতে হবে। এগুলো যাচাইয়ের জন্য কাস্টমস্ থেকে একটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর চিঠি দিয়ে ভ্যাট বিভাগীয় দপ্তরের প্রত্যয়ণপত্র চাইতে পারে। তাই পণ্য আমদানির সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠানসমূহে VAT Compliance নিশ্চিত করতে হবে।
ধন্যবাদ।

30/12/2023

Address

Paltan, Motijheel
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HM VAT & TAX Lab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category